Epaper_Logo
প্রিন্টের তারিখঃ Mar 23, 2026 প্রকাশের তারিখঃ Feb 21, 2026

রৌমারীতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

News Image

আব্দুল খালেক | রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
রৌমারী-তে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। রাত ১২টা ০১ মিনিটে প্রভাতফেরি ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ প্রশাসন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) উপজেলা শাখা, রৌমারী মডেল প্রেসক্লাব, রৌমারী প্রেসক্লাব, উপজেলা প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সকাল ৮টায় উপজেলা হলরুমে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলাউদ্দিন। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান, রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ কাওসার আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল আলম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র উপজেলা আমির হায়দার আলীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক আকতার হোসেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিকসহ অসংখ্য ভাষা শহীদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের রক্তের ঋণ কখনও শোধ হওয়ার নয়। শহীদদের আদর্শ তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং বাংলা ভাষার শুদ্ধ চর্চা নিশ্চিত করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা। উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গুলিবর্ষণে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিকসহ অনেকে শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে।