জামালপুর থেকে কুড়িগ্রামের রৌমারী পর্যন্ত নতুন রেলপথ স্থাপন করা হলে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ, অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও নৌপথনির্ভর এই অঞ্চলের মানুষ রেল যোগাযোগের স্বপ্ন দেখছেন। রেললাইন চালু হলে জামালপুর–রৌমারী অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত হবে দ্রুত, নিরাপদ ও স্বল্প ব্যয়ে। বর্তমানে দীর্ঘ সময় ও বেশি খরচে যাতায়াত করতে হলেও রেল চালু হলে সেই ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতে নতুন গতি আসবে। রৌমারী ও আশপাশের এলাকায় উৎপাদিত ধান, পাট, ভুট্টা, সবজি ও মাছ সহজেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো যাবে। এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং পরিবহন ব্যয় কমবে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত পণ্য সরবরাহ করতে পারায় স্থানীয় ও আঞ্চলিক বাজার সম্প্রসারিত হবে।
রেলপথ নির্মাণ ও পরবর্তী পরিচালনায় স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি রেল সংযোগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে নতুন বাজার, গুদাম, শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এতে সামগ্রিকভাবে অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চাঙা হবে। রেল যোগাযোগ চালু হলে মানুষ সহজেই উন্নত চিকিৎসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সেবায় পৌঁছাতে পারবে। জরুরি রোগী পরিবহনও হবে দ্রুত ও নিরাপদ। ফলে জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে। রৌমারী সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায় রেল যোগাযোগ স্থাপিত হলে কৌশলগত ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বাড়বে। ভবিষ্যতে আন্তঃআঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত জামালপুর–রৌমারী রেললাইন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে শুধু যোগাযোগ নয়, উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের নতুন দ্বার খুলে যাবে।
🔗 এই খবরটি শেয়ার করুন:
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
দেড় থেকে দুই কোটি মানুষকে টিসিবির পণ্য দেওয়া সম্ভব: বাণিজ্য
1
বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
2
নতুন বছরের শুরুতেই যেসব ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ
3
সেমিকন্ডাক্টর খাতের বিকাশে টাস্কফোর্স গঠন, সদস্য ১৩ জন
4
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত
5
আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের
6
২৮-কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন বিএনপি'র মনোনীত প্র
7
বাড়ির দোতলায়ও পানি, ভাই–বোনের খোঁজ পাচ্ছেন না গায়িকা পুতুল