রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কলেজপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ওই বাড়িটিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন নারী-পুরুষের যাতায়াত ছিল, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২২ মে) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে চরশৌমারী ইউনিয়নের ফুলকারচর গ্রামের ফরিদা খাতুন নামে এক নারী ওই বাড়িতে আসেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বাড়ির দিকে গেলে পরিস্থিতি টের পেয়ে ওই নারী দ্রুত সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় বাড়ির মালিক আব্দুল হামিদ বাড়িতে তালা লাগিয়ে স্থান ত্যাগ করেন বলে জানান স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বাড়িটিতে গোপনে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল এবং বিভিন্ন সময় বহিরাগত নারী-পুরুষদের আনাগোনা দেখা যেত। তবে সামাজিক কারণে এতদিন কেউ প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলতে সাহস পাননি বলেও দাবি করেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, তিনি পূর্বেও ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। তার দাবি, আব্দুল হামিদ মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে সেখানে যেতে বলেছিলেন। তিনি বলেন, “বিষয়টি এলাকার অনেকেই জানে, তবে সামাজিক কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না।” এ বিষয়ে ফরিদা খাতুন বলেন, “হামিদ আমাকে ফোন করে সেখানে নিয়ে আসছে।” তবে তিনি কী উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল হামিদ বলেন, “এটা আমার ভুল হয়েছে। এমন ভুল আর হবে না।” তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন